অনলাইন কেনাকাটায় মেনে চলুন ১৩ টি সর্তক বার্তা

অনলাইন কেনাকাটায় মেনে চলুন ১৩ টি সর্তক বার্তা
Spread the love

অনলাইন কেনাকটা বর্তমান পৃথিবীতে সব থেকে পরিচিত একটি নাম। আর করোনা পরিস্থিতিতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যখন লকডাউন চলছে, তাই এখন অনলাইনে কেনাকাটা ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। এই লকডাউন অবস্থায় ই-কমার্স এখন কেনাকাটার সহজ ও নিরাপদ।

তবে এই অনলাইন কেনাকাটায় অনেক সময় হ্যাকারদের হ্যাকিং এর সম্মুখিন হতে হয় গ্রাহকদের। এই বিষয়ে ক্রাফের সভাপতি জেনিফার আলম বলেন, আমরা যারা অনলাইনে কেনাকাটা করি বা অনলাইন সার্ফিং করি এই ” Think Before Click ” কথাটি মানি বা এই দিকে যদি লক্ষ্য রাখি, তাহলে আমরা অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদ থাকতি পারি।

কারণ আমরা যে অনলাইনে কেনাকাটা করছি, তাতে আমাদের ডাটা বা লেনদেন কতটুকু নিরাপদ? অনলাইনে কেনাকাটায় হ্যাকারদের কাছে কি চলে যাচ্ছে আমাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও পাসওয়ার্ড? এই ব্যাপারে ক্রাফের আইটি অ্যানালিস্ট রাইয়ান মালিক বলেন, যে সাইট গুলোতে কেনাকাটা করছেন সেই সাইট কতটা ট্রাস্টেড এবং সাইটটি এনক্রিপটেড কিনা। এই বিষয়ে ১৩টি নির্দেশনা মেনে চললে আপনার কেনাকাটা নিরাপদ হতে পারে।

অনলাইন কেনাকাটায় ১৩ টি নির্দেশনা হল :

১। আপনি যে ব্রাউজারটি ব্যবহার করছেন তা নিয়মিত আপডেটেড রাখিন

২। এমন কোনো ওয়েবসাইটে লেনদেন করবেন, যে ওয়েব সাইট ডাটা এনক্রিপশন করে না বা সহজে বলতে গেলে যেসব ওয়েবসাইটে ” HTTPS ” নেই। “HTTP” – এর শেষে “S” লেখাটি দেখে নিবেন।

৩। লোভনীয় কোন ই-মেইলে যাচাই-বাছাই ছাড়া ক্লিক করা ও লেনদেন করা যাবে না।

৪। লোভনীয় কোনো পপ-আপে ক্লিক করা ও লেনদেন করা যাবে না।

৫। সুখ্যাতি – সম্পন্ন অনলাইনে প্রতিষ্ঠান ছাড়া লেনদেন না করাই ভালো।

৬। পাসওয়ার্ডের নম্বর, সিম্বল, ছোট-বড় হাতের অক্ষর মিলিয়ে তৈরি করা।

৭। পাবলিক ওয়াইফাই ব্যবহার করে অনলাইন কেনাকাটা না করা। ইমারজেন্সিতে ভিপিএন ব্যবহার করে করতে পারেন।

৮। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে অনলাইন কেনাকাটা করা ভালো। কারণ, ডেবিট কার্ড আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের যুক্ত থাকে, আর ক্রেডিট কার্ডে নির্দিষ্ট একটা আমাউন্ট ব্যবহারের পর বিল পে না করে ব্যবহার করা যায় না।

৯। ফিশিং সাইট থেকে দূরে থাকুন, লেনদেন করার আগে ওয়েবসাইটটি ভালো করে লক্ষ করে দেখুন।

১০। আপনি যে ওয়েবসাইটে লেনদেন করছেন তারা আপনার ডাটা কতটুকু নিরাপদ রাখবে সেদিকে লক্ষ রাখুন।

১১। ক্রেডিট কার্ড বিল ও ব্যাংক স্টেটমেন্টে লক্ষ রাখুন, যে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ট্রানজেকশন আছে কিনা, থাকলে তা রিপোর্ট করুন।

১২। নিজের ডিভাইসটিকে ম্যালওয়ার মুক্ত রাখার জন্য ভালো একটি অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করুন, যাতে হ্যাকাররা আপনার ডিভাইস হ্যাক করে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য নিতে না পারে।

১৩। কেনাকাটার পর আপনি একটি ফেরত মেইল পাবেন, সেটি চেক করুন।

যেকোন ধরনের সাইবার ক্রাইম বা অনলাইনে আর্থিক প্রতারণার শিকার হলে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করুন। জরুরী পুলিশি সাহায্যের জন্য জাতীয় জরুরী সেবা ‘ ৯৯৯ ‘ নম্বর ( ট্রোল ফ্রি) কল করুন।

admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *