বিতর্কিত ট্রাম্প, বর্ণবাদী ট্রাম্প

বিতর্কিত ট্রাম্প, বর্ণবাদী ট্রাম্প
Spread the love

পৃথিবী যখন বিপর্যস্ত করোনাভাইরাসে। সবাইকে বলা হচ্ছে ঘরে থাকতে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ বেরিয়ে এসেছে রাস্তায় বর্ণবাদী আন্দোলনে। বর্ণবাদ নিয়ে আজ সারা বিশ্বের মানুষ সোচ্চার। আর সবার ক্ষোভ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপর।

যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া বর্ণবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় এখন ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বের সকল শ্রেণীর মানুষের মাঝে। দাবি আদায়ের জন্য লড়ছেন সারা বিশ্বের কৃষ্ণাঙ্গরা। রাজনীতির ময়দান থেকে সেই ঝড় এখন ফুটবল মাঠে।

করোনাভীতি জয় করে আবারও মাঠে ফেরা জার্মানির বুন্দেসলীগার প্রায় প্রতি ম্যাচেই বিভিন্ন ভাবে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে যাচ্ছেন খেলোয়াড়রা। শুধু মাঠেই নয়, মাঠের বাইরেও চলছে ফুটবলারদের প্রতিবাদ। যেটা শুরু হয়েছে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের হেফাজতে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লায়েডের মৃত্যুর পর।

এই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ও বর্তমান ফুটবলাররা রীতিমতো ধুয়ে দিচ্ছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। জার্মানির ক্লাব শালকেতে খেলা যুক্তরাষ্ট্রের মিডফিল্ডার ওয়েষ্টন ম্যাককেনি তো ট্রাম্পকে ‘বর্ণবাদী’ বলে দিয়েছেন গণমাধ্যমের সামনে।

কেউ আবার বলেছেন ট্রাম্পের মধ্যে নীতিবোধের কোনো বালাই নেই। অনেক আবার তাকে ‘বিশ্বের অন্যতম বাজে লোক’ বলে আখ্যা দিয়েছেন!

যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ১৯টি ম্যাচ খেলা ২১ বছর বয়সী ম্যাককেনি বলেছেন, ‘আমার দৃষ্টিতে তিনিই (ট্রাম্প) বর্ণবাদী। আমার তো মনে হয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য সঠিক ব্যক্তি তিনি নন। যে যুক্তরাষ্ট্রের আজকের এই এতটুকু সাফল্যের পেছনে সকল জাত ও শ্রেণীর মানুষের ভুমিকা রয়েছে।আজ তিনি সেই যুক্তররাষ্ট্রে বর্ণবাদকে উসকে দিয়েছেন।

পুলিশের এত ক্ষমতা কোথা থেকে হল একজন কৃষ্ণাঙ্গকে এভাবে মেরে ফেলার। এখনও তিনি (ট্রাম্প) চুপ, তার মানে কি সবাই বুঝে। জার্মানির পত্রিকা বিল্ডের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্পের প্রতি ক্ষোভ আরও ঝেরেছেন ম্যাককেনি, ‘দেশের প্রতি নিজের দায়িত্ব কী, সেটাও মনে হয় তিনি জানেন না। আমার মনে হয় তিনি অজ্ঞ।’

যুক্তরাষ্ট্রের নারী দলের তারকা মেগান র‍্যাপিনোও ট্রাম্পের ওপর চটেছেন। ট্রাম্পকে তিনি বলেছেন ‘শেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ‘।

যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষিয়ান ফুটবলার মাইকেল ব্র‍্যাডলির মনে হয়, ট্রাম্পের মধ্যে নৈতিকতা বলতে কিছু নেই। আর দলটির সাবেক ফরোয়ার্ড টেরেন্স বয়ড বলেছেন, ‘ এই পৃথিবীর অন্যতম বাজে মানুষ ট্রাম্প।’

admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *