পৃথিবীতেই দেখা মিলবে ‘ মঙ্গলের শহর ‘

পৃথিবীতেই দেখা মিলবে ‘ মঙ্গলের শহর ‘
Spread the love

মঙ্গলগ্রহের কথা জানেনা পৃথিবীতে এমন মানুষ পাওয়া খুব কমই আছে। মঙ্গলগ্রহ নিয়ে আগ্রহ বিজ্ঞানীদের যেমন সাধারণ মানুষের। আগ্রহ কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার থেকে বেশি। ধারণা করা হচ্ছে মঙ্গলেই মানুষের বসবাসের ঠিকানা হবে। তবে দূরবর্তী এই গ্রহ দেখার স্বাদ পৃথিবীতেই দেবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাই।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ আরব আমিরাতের দুবাই শহর বরাবরই উচ্চবিলাসী। দুবাই শহরের মানুষের জীবনযাপন এতটাই উচ্চাবিলাসী যে ইউরোপ, আমেরিকার হার মানে ওদের কাছে। শহরটির দমকলকর্মীরা জেটপ্যাক ব্যবহার করেন। শহরের ভবনগুলো মেঘ ছুঁয়ে গেছে। বিস্তৃত লাল প্রান্তরের মাঝখানে একটি মসৃণ নগরী দুবাই।

দুবাই বিশ্বের আরও স্থাপত্য প্রকল্পের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত আগামী ১০০ বছরের মধ্যে মঙ্গলগ্রহে কলোনি গড়ার উচ্চাকাঙ্ক্ষা ঘোষণা করেছিল।

এবার বিশ্ববাসীকে মঙ্গলগ্রহে বসবাসের অভিজ্ঞতা দিতে মঙ্গলের শহরের নকশা করেছেন দেশটির স্থপতিরা। দুবাইয়ের বাইরে এটি তৈরির পরিকল্পনা করেছেন তারা। খবর : সিএনএন ও গালফ নিউজের।

মঙ্গলগ্রহ নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এ গ্রহের কল্পিত শহরগুলোয় মানুষের বসবাসের অভিজ্ঞতা কেমন হতো, তা হাতে কলমে দেখাতে চাইছে দুবাই। আর এর সরাসরি তত্বাবধানে থাকবেন আমিরাতের রাষ্ট্রপ্রধান নিজেই।

১ লাখ ৭৬ হাজার বর্গমিটার মরুভূমিতে ‘ মার্স সায়েন্স সিটি ‘ প্রায় ৩০টি ফুটবল মাঠের সমান। এটি তৈরিতে ব্যয় ধরা হয়েছে সাড়ে ১৩ কোটি ডলার।

দুবাইয়ের মোহাম্মদ বিন রশিদ মহাকাশ কেন্দ্র ( এমবিআরএসসি) ‘বিজারকে ইঙ্গেল গ্রুপের ‘ স্থপতিদের মঙ্গলের শহরের নকশা করার অনুমোদন দেয়। তারা থিড্রি প্রিন্টার ব্যবহার করে শহরের স্থাপনাগুলো তৈরি করেন। শহরটি শূন্য থেকে অনেকটা সারি সারি গম্ভুজের মতো মনে হবে। ভূগর্ভস্থ ২০ ফুট দৈর্ঘ্যরে কক্ষগুলো ক্ষতিকারক বিকিরণ ও উল্কাপিণ্ড থেকে সুরক্ষিত।

বিজারকে ইঙ্গেল গ্রুপের অংশীদার জ্যাকব ল্যাঙ্গে বলেন, ‘ভবিষ্যতে মঙ্গলগ্রহে ভূগর্ভস্থ গুহায় স্কাইলাইট থাকবে, যা অ্যাকোরিয়ামের মতো হবে। চারদিকে মাছ সাঁতার কাটবে। পানির জানালাগুলো ভূগর্ভস্থ কক্ষগুলোয় আলো প্রবেশ করার সময় বাসিন্দাদের বিকিরণ থেকে রক্ষা করবে।

admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *