নিউজবাংলা: ১২ জুলাই, রোববার :

আলিফ আবেদীন গুঞ্জন, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

আর কদিন পরেই ঈদ। এ উপলক্ষে ঝিনাইদহের পাদুকা শ্রমিকদের দম ফেলার সময় নেই। শহরের পাদুকা কারখানায় শ্রমিকদের ব্যস্ততা বেড়েছে কয়েক গুণ। কর্মমুখর এখন ঝিনাইদহের পাদুকা কারখানাগুলো।

তাদের তৈরি পাদুকা জেলার চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে পাশের জেলায়। ক্রমেই এ জেলার পাদুকার চাহিদা বাড়ছে। এর ফলে গড়ে উঠছে নতুন নতুন কারখানা। বর্তমান ছোট বড় দিয়ে ঝিনাইদহে পাদুকা কারখানার সংখ্যা ৫০-৫৫টি। আর শ্রমিক কাজ করেন সাধারণত ২০০-২৫০ জন। এর ফলে একদিকে যেমন তৈরি হচ্ছে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সাথে জেলার চাহিদা মিটিয়ে এ পাদুকা চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। শ্রমিকরা জানান, আগে সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কাজ চললেও বর্তমানে প্রায় সারারাত কারিগররা কাজ করে চলেছেন। অন্যবারের মতো এবারো সন্তোষজনক অর্ডার পাওয়া গেছে। বছরের অন্য মাসগুলোর তুলনায় তৈরি পাদুকা বিক্রি বেড়েছে কয়েক গুণ। কারখানায় আধুনিক ও নতুন ডিজাইন, মানসম্মত, টেকসই ও রুচিশীল পাদুকা তৈরি হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত ঝিনাইদহের পাদুকার চাহিদা বাড়ছে। স্থানীয়ভাবে তৈরি হওয়ায় দামে অনেক সস্তা। মানের দিক দিয়ে বিভিন্ন ব্যান্ডের জুতা-স্যান্ডেলের মতোই টেকসই এগুলো। আর এজন্য বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতা প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন স্থানীয়ভাবে তৈরি জুতার দোকানগুলোতে। বছরের অন্য মাসগুলোর তুলনায় তৈরি স্যান্ডেলের বিক্রি বেড়েছে কয়েক গুণ। জুতা-স্যান্ডেল তৈরির কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় পণ্যের দামও অন্যবারের চেয়ে এবার কিছুটা চড়া বলে জানান কারখানা মালিকরা। সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান এখানে অর্থ লগ্নিতে এগিয়ে এলে অবাধ পুঁজি এ শিল্পকে আরো সমৃদ্ধ করবে বলে মালিকদের ধারণা।

 নিউজবাংলা/একে