নিউজবাংলা: ১১ আগস্ট, মঙ্গলবার:

ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি রাজ্যের ফার্গুসনে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

পুলিশের বর্ণবাদী আচরণের বিপক্ষে এক বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশের ছোড়া গুলিতে আঠারো বছর বয়সী এক কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ আহত হবার পর সেখানে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে।

 

হাসপাতালে সংকটাপন্ন অবস্থায় থাকা টাইরন হ্যারিসের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনেছেন সরকারি কৌসুলিরা।

যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের ফার্গুসন শহরে পুলিশের গুলিতে নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর মাইকেল ব্রাউন নিহত হবার বছরপূর্তিতে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে এসেছিল তারই বন্ধু টাইরন হ্যারিস।

পুলিশ বলছে, ঐ সমাবেশ থেকে প্রথম পুলিশের দিকে গুলি ছুড়েছিল এমন ছয় ব্যক্তির একজন হ্যারিস।

তবে, হ্যারিসের বাবার দাবি, তার ছেলে নিরস্ত্র ছিল এবং পুলিশ যখন হামলা চালায়, সে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালাচ্ছিল।

সরকারি কৌশুলিরা হ্যারিসের বিরুদ্ধে পুলিশে কাজে বাধা এবং পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল লোরেটা লিঞ্চ ঐ সহিংস হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমরা সাম্প্রতিক মাস এবং বছরগুলোতে দেখছি, এধরণের সংঘাত যেকোনো শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের বার্তাকে পুরোপুরি আড়াল করে দিচ্ছে।

আমাদের এবং নিরাপত্তাবাহিনীতে যারা কাজ করেন, তাদের বিপজ্জনকভাবে মুখোমুখি করে দেয়।

অন্যদিকে, পুলিশের গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত হয়ে হ্যারিস এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

রবিবারের ওই সহিংস ঘটনার পর পুলিশ অন্তত ৫০জনকে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে রয়েছেন নাগরিক অধিকার আন্দোলনকর্মী কর্নেল ওয়েষ্ট।

বিক্ষোভকারীরা সরকারের কাছে ফার্গুসনের পুলিশ বাহিনীকে বিলুপ্ত করে দেবার আহ্বান জানিয়েছে বলে জানায় সেখানকার গণমাধ্যম।

 

নিউজবাংলা/একে